ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে অংশ নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি–১৩৫ সামরিক জ্বালানি–সরবরাহকারী বিমান পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ) এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে ইরাকের আকাশসীমায় এ ঘটনা ঘটে এবং এটি কোনো শত্রুপক্ষ আঘাত বা ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ কারণে হয়নি। বিবিসি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনায় দুটি বিমান জড়িত ছিল। একটি পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয় এবং অন্যটি নিরাপদে অবতরণ করে। বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। সাধারণত কেসি–১৩৫ বিমানে একজন পাইলট, একজন সহ-পাইলট ও একজন বুম অপারেটরসহ তিন থেকে পাঁচজন ক্রু থাকেন। ক্রুদের অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের বরাতে জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল ও ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস বিবিসিকে বলেছেন, ‘এখনো খুব প্রাথমিক তথ্য। কেসি–১৩৫ সাধারণত জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হয়। আমরা আশা করি, তিন থেকে পাঁচজন ক্রুই নিরাপদ আছেন। যুদ্ধে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এটিও তেমন একটি ঘটনা বলে মনে হচ্ছে।’
মধ্যপ্রাচ্যের এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি মার্কিন বিমান হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এর আগে কুয়েতের আকাশে ‘সম্ভাব্য ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ তিনটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল, যদিও ছয়জন ক্রুই নিরাপদে বের হতে সক্ষম হন। বোয়িং নির্মিত কেসি–১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হয়। দূরপাল্লার অভিযানে যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানে আকাশে জ্বালানি সরবরাহে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Mytv Online